April 19, 2026, 11:54 pm

সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদাদাবিকে কেন্দ্র করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ভাংচুর

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি সাহেবপাড়ায় মিতালী মার্কেটের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদাদাবি ও ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দু‘পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় একটি দোকানের কম্পিউটার ভাংচুর করা হয়। উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আসিফ নামের ছাত্রদলের এক নেতাকে নারায়ণগঞ্জ ৩শ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের মিতালী মার্কেট এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে ।
ব্যবসায়ীসহ স্থানীয়দের অভিযোগ, বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকার কতিপয় উছৃঙ্খল যুবকরা মিতালী মার্কেট এর বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদাদাবি করে আসছে এবং তারা ঝুট ব্যবসাও নিয়ন্ত্রণ করবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই উছৃঙ্খল যুবকরা মিতালী মার্কেট এলাকায় গিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করলে ব্যবসায়ীরা এ সময় নরারয়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে অবহিত করলে তিনি সাথে সাথে ঘটনাস্থলে দলীয় লোকজন পাঠান। বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখে উছৃঙ্খল যুবকরা নিজেদেরকে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের স্বেচ্ছাসেবক দল এর সদস্য সচিব মমিনুর রহমান বাবুর সমর্থক ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী পরিচয় দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের স্থান ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়। এ নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়। এর মধ্যে আসিফ নামে একজন নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গেছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, মিতালী মার্কেট এলাকায় কতিপায় উশৃঙ্খল যুবক ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল এ খবর পেয়ে আমি দলীয় লোকজন পাঠালে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে বলে শুনেছি।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা